Skip to main content

Posts

যুবকদের তৎপরতায় বাড়ির উঠান থেকে উদ্ধার কেউটে শাবক

নিজস্ব সংবাদ: গ্রামীণ হাওড়ার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ক্রমশ বন্যপ্রাণ সম্পর্কে সচেতন হচ্ছেন।তারই ফলস্বরূপ প্রায়শই বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হচ্ছে বাঘরোল,বিভিন্ন প্রজাতির সাপ।এবার বন্যপ্রাণ সচেতনতার নিদর্শন রাখলেন বছর তিরিশের এক যুবক।সূত্রের খবর,আজ দুপুরে বাড়ি সংলগ্ন উঠানে একটি কেউটে শাবককে ঘুরতে দেখেন বাগনান-১ ব্লকের হারোপ গ্রামের বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাস ও তাঁর প্রতিবেশীরা।তিনি শাবকটিকে কোনোভাবে না মেরে স্থানীয়দের প্রচেষ্টায় বেশ কিছুক্ষণের মধ্যে বোতলবন্দী করেন। খবর দেন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ'-এর প্রতিনিধিদের।স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির পক্ষ থেকে খবর দেওয়া হয় বন দপ্তরে।বন দপ্তরের কর্মীরা প্রসেনজিৎ দাসের বাড়ির থেকে কেউটে শাবকটিকে নিয়ে যান।প্রসেনজিৎ জানায়,সে নিজেও একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মী যাঁরা বন্যপ্রাণ সচেতনতার উপর নিয়মিত প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।

ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক বোতল ও পলিথিনের পুনর্ব্যবহার করে আগামী প্রজন্ম বাঁচানোর বার্তা আমতার প্রধান শিক্ষকের

পৃথ্বীশরাজ কুন্তী: কথায় আছে নাহ,ইচ্ছে থাকলে উপায় ঠিক বের হয়।যে বিদ্যালয় ছাত্রাভাবে উঠতে বসেছিল,সেই প্রতিষ্ঠান মাত্র দু'বছরে উদ্যোমী প্রধান শিক্ষকের হাত ধরে জেলার অন্যতম সেরা প্রাথমিক বিদ্যালয় রূপে নিজেদের মেলে ধরেছে।শিক্ষাঙ্গনকে শিশুদের কাছে মুক্তাঙ্গন করে তুলতে বিদ্যালয়ের ছাদে কিচেন গার্ডেন,বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের জন্মদিন পালন,স্মার্ট ক্লাস,বৃষ্টির জল সংরক্ষণের মতো বিভিন্ন সৃজনশীল ভাবনার সফল বাস্তবায়ন ঘটিয়েছেন আগেই।প্রধান শিক্ষকের মস্তিষ্কপ্রসূত এই সমস্ত অনন্যসাধারণ উদ্যোগ আশপাশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ও ক্রমশ অনুসরণ করছে।ঠিক একইভাবে আবারও এক অভিনব ভাবনার সফল বাস্তবায়ন ঘটালেন এই তরুণ উদ্যোগী প্রধান শিক্ষক।প্লাস্টিক ও পলিথিন নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কাজ চলছে বিশ্বব্যাপী।বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন প্লাস্টিককে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করা সম্ভব নয়;যতক্ষণ না তার উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে,তাই তার পুনর্ব্যবহারের উপরই বেশি গুরুত্ব আরোপ করার কথা তাঁরা বলছেন।আর সেই ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়েই বাড়িতে ব্যবহৃত প্লাস্টিক বোতল ও পলিথিন দিয়ে আমতা-১ ব্লকের সোনামুই হরিসভা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ খাঁ ব...

কুকুরের তৎপরতায় উদং আশ্রমে উদ্ধার চন্দ্রবোড়া,তুলে দেওয়া হল বন দপ্তরের হাতে

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাওড়া জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটনস্থল আমতা-১ ব্লকের উদং কালীমাতা আশ্রম।রবিবার দর্শনার্থীদের আনাগোনা অন্যান্য দিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি থাকে।আজ সন্ধ্যায় সেখান থেকেই উদ্ধার হল একটি দীর্ঘকায় চন্দ্রবোড়া সাপ।আশ্রম সূত্রে খবর,বেশ কয়েকদিন ধরে প্রায় ২ ফুট লম্বা সাপটি আশ্রম চত্বরে ঘোরাফেরা করলেও একাধিকবার চেষ্টা করেও ধরা সম্ভব হয়নি। আজ সন্ধ্যায় হঠাৎই আশ্রম চত্বরে সাপটিকে দেখে চিৎকার করে ওঠে একটি কুকুর।কুকুরটিই সাপটিকে ধরে।তৎক্ষনাৎ আশ্রমের সদস্যরা সাপটিকে বোতলবোন্দী করে খবর দেয় স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ'-এর প্রতিনিধিদের।ঐ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান ও খবর দেওয়া হয় বন দপ্তরে।বন দপ্তরের হাতে সাপটিকে তুলে দেওয়া হয়েছে।

এক টুকরো শান্তির নীড়ে চলছে পাঠদান,সবুজের সমারোহে সেজে উঠেছে গ্রামীণ হাওড়ার নাওদা নয়নচন্দ্র বিদ্যাপীঠ

পৃথ্বীশরাজ কুন্তী: নীলসাদা বিল্ডিংগুলি যেন একটুকরো শান্তির নীড়,আর তার মধ্যে প্রাণের স্ফুরণ ঘটাচ্ছে নবপ্রজন্মের তরতাজা প্রাণগুলো।শিক্ষাঙ্গন হোক মুক্তাঙ্গন।শিক্ষার সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত স্বাস্থ্য।তাই শিক্ষাঙ্গনে স্বাস্থ্যকর সবুজ নির্মল পরিবেশ গড়ে তোলা আবশ্যক।আর সেই ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়েই বিদ্যালয়কে পড়ুয়াদের কাছে মুক্তাঙ্গন রূপে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ অভিনব ভাবনার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছে শ্যামপুর-২ ব্লকের নাওদা নয়নচন্দ্র বিদ্যাপীঠ। বিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশ করার সময়ই অদ্ভুত সুন্দর ভালোলাগা তৈরি হয়ে যাবে বিদ্যালয়ের পারিপার্শ্বিক নীরব সবুজ পরিবেশে।মুহুর্তের মধ্যেই যে কেউ এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রেমে পরবে তা নির্দ্বিধায় বলাই যায়।না শুধু বিদ্যালয় চত্বর জুড়ে অনন্যসুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলাই নয়,সমানতালে বিভিন্ন সৃজনশীল ভাবনার প্রতিফলন ঘটেছে বিদ্যালয় চত্বরজুড়ে।জল সংরক্ষণের ভাবনাকে প্রাধান্য দিয়ে গড়ে উঠেছে বৃষ্টির জল পুনর্ব্যবহারের বিশেষ ব্যবস্থা।  পাশাপাশি,২-৩ ফুট গর্ত করে সেখানে সোকপিট করে তৈরি  হয়েছে ভৌমজল সঞ্চয়ের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা...

সিরাজবাটি চক্রের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হল সন্তোষনগরে,তুলে দেওয়া হল চারাগাছ

নিজস্ব প্রতিনিধি: শীতের শুরুতেই হাল্কা ঠান্ডার আমেজকে সাথে নিয়ে আমতা-১ ব্লকের সন্তোষনগর ফুটবল ময়দানে অনুষ্ঠিত হল সিরাজবাটি চক্রের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।ঐ চক্রের মোট ৭২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ৮ টি শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের ১৫২ জন পড়ুয়া মোট ৮ টি ইভেন্টে অংশ নেয়। খুদেদের প্রেরণা জোগাতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন আমতা-১ সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক লোকনাথ সরকার,আমতা-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ধনঞ্জয় বাকুলী,শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু সেনাপতি,চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক দীপঙ্কর কোলে সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকরা।সিরাজবাটি চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক দীপঙ্কর কোলে জানান,পুরস্কারের সঙ্গে প্রতিটি ছাত্রছাত্রী ও অতিথিদের হাতে একটি করে মেহগিনি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।অনুষ্ঠানে নৃত্য প্রদর্শন করে সোনামুই হরিসভা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা।

ছোট্ট রিয়ান্সির জন্মদিনে বাজার বদলের ভাবনায় উদ্যোগী 'স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ'

নিজস্ব প্রতিনিধি: অর্ঘ্য,রহমত,সুচিত্রা,শ্যামলরা অন্য পাঁচটা দিনের মতো রবিবারের সকালেও পলিথিন হাতে বাজারে হাজির হলেও আজ আর পলিথিন নয়,কাপড়ের ব্যাগে সব্জি নিয়ে বাড়ি ফিরলেন।সকাল সকাল আমতা-১ ব্লকের উদং তরুণ সংঘের মাঠে বসা বাজারে উপস্থিত হয়ে বাবা-মা'র হাত ধরে বড়োদের হাতে তুলে দিল ছোট্ট রিয়ান্সি।রিয়ান্সিকে নিয়ে তিন বছরের জন্মদিনের সকালটা এভাবেই কাটালেন তার বাবা-মা।মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিলেন পরিবেশ সচেতনতা ও প্লাস্টিকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব সামগ্রী ব্যবহারের শুভবার্তা।রিয়ান্সির জন্মদিনকে একটু অন্যভাবে পালন করতে এগিয়ে এসেছে গ্রামীণ হাওড়ার অন্যতম সমাজসেবামূলক সংগঠন 'স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ'।মূলত,এই সংস্থার ভাবনায় ও ব্যবস্থাপনায় এই আয়োজন বলে জানান রিয়ান্সির বাবা পেশায় শিক্ষক রাকেশ মন্ডল।রাকেশ বাবু জানান,প্রায় ৫০০ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগ।রবিবারের সকাল মানেই উদংয়ের এই বাজারে বহু মানুষের ভিড়।ঘড়ির কাঁটায় ৭ টা বাজার সাথে সাথেই রিয়ান্সি বাবা-মা,'স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ'-এর সদস্যদের সাথে উপস্থিত হয়ে যায় বাজারে।বেশ কয়েকটি ব্যাগ নিজে হাতে তুলে দেওয়ার পর ও...

শীতের হাল্কা আমেজকে সাথে নিয়েই বাকসীর মাঠে খেলায় মেতে উঠল খুদে পড়ুয়ারা

নিজস্ব প্রতিনিধি: শীতের শুরু মানেই পড়ুয়াদের হৃদয়ে বাসা বাঁধে এক অদ্ভুত আনন্দ,সে আনন্দ বন্ধুরা হাত ধরে একসাথে মাঠে যাওয়ার,সে আনন্দ উন্মুক্ত ময়দানে নিজের প্রতিভাকে বিকশিত করার।শিক্ষার সাথে শরীর ও মনের সার্বিক বিকাশের লক্ষ্যে আমতা-২ ব্লকের খালনা চক্রের আওতাধীন তাজপুর,খালনা,ভাটোরা সহ মোট ছ'টি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ'খানেক পড়ুয়াকে নিয়ে বাকসী ফুটবল ময়দানে আয়োজিত হল ৩৭ তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। পড়ুয়াদের উৎসাহিত করতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন আমতা-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকান্ত পাল,খড়িয়প মিশনের মহারাজ,স্থানীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক সহ বহু শিক্ষিক-শিক্ষিকা,অভিভাবক-অভিভাবিকা।৭৫ মি,১০০ মি,২০০ মি. দৌড়,আলু দৌড়,দীর্ঘ লম্ফন, উচ্চ লম্ফনের মতো বিভিন্ন ইভেন্টে পড়ুয়ারা অংশ নেয়।এই সমস্ত ইভেন্টের প্রথম স্থানাধিকারীরা পরবর্তীস্তরে খেলার ছাড়পত্র পাবে বলেও উদ্যাক্তারা জানান।এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে পড়ুয়াদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।