নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলা ক্যালেন্ডারে সময়টা তখন ১১২৬। সেই সময়কার প্রথিতযশা বণিক শান্তি রায় ব্যবসা সূত্রে প্রায়শই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাড়ি দিতেন। তেমনই এক সফরে বেড়িয়ে রাত্রিযাপনের জন্য ঘাঁটি গাড়লেন বর্তমান আমতা-২ ব্লকের অমরাগড়ী গ্রামে।কথিত আছে,শান্তি বাবু সেই রাতেই গজলক্ষী দেবীর স্বপ্নাদেশ পান এবং সেই অনুযায়ী তিনি অমরাগড়ী গ্রামে 'গজলক্ষী মাতা এস্টেট' গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন।১১২৬ বঙ্গাব্দের ১৫ ই বৈশাখ প্রতিষ্ঠিত হল 'গজলক্ষী মাতা এস্টেট'।এক আদর্শ গ্রাম গড়ার লক্ষ্যে শান্তি রায় উদ্যোগী হয়ে বাইরে থেকে বিভিন্ন জাতি ও ধর্মের মানুষকে নিয়ে এলেন অমরাগড়ী গ্রামে।অন্যদিকে গ্রামের সার্বিক উন্নয়নে উদ্যোগী হল এই এস্টেট।গজলক্ষী মাতার মন্দিরের পাশাপাশি গড়ে উঠল শিব মন্দির।উল্লেখ্য,রায় বাড়িতে চালু হল রথযাত্রা,জন্মাষ্টমী,রাসযাত্রা,শিবরাত্রি,গাজন।এর পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে চালু হয় দুর্গাপুজো।উল্লেখ্য,এই সুপ্রাচীন ট্রাস্ট পরিচালিত এবছরই দুর্গোৎসব এবার ৩০০ বছরে পদার্পণ করেছে।রাসপূর্ণিমাকে কেন্দ্র করে সেজে উঠেছে রায়বাড়ির রাসমঞ্চ। সুপ্রাচীন রাস উৎসবের সাক্ষী ...