Skip to main content

আমতার উদংয়ে কৃষিমেলাকে কেন্দ্র করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আসর

নিজস্ব প্রতিনিধি:কৃষিপ্রধান গ্রাম আমতার উদং,ফতেপুর,তাজপুরের মতো দামোদর তীরবর্তী জনপদগুলি।কৃষকরা দিনের পর দিন অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে নীরবে নিভৃতে ফসল ফলিয়ে যান।কিন্তু সেইসমস্ত বঞ্চিত মানুষকে সম্মান জানাতেই প্রায় চার দশক আগে উদং গ্রামের কিছু উদ্যোমী যুবক চালু করেছিলেন গ্রামীণ কৃষি ও হস্তশিল্প মেলা।উদং যুবক সংঘ পরিচালিত এই গ্রামীণ কৃষি মেলা এবার ৪৭ তম বর্ষে পদার্পণ করল।
প্রাচীন ঐতিহ্য অনুযায়ী প্রতিবছরের মতো এবছরও সুশোভিত প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে স্থানীয় কৃষক বন্ধুদের ফলানো বিভিন্ন ফসল।স্থান পেয়েছে ৮-১০ কেজি সাইজের বেশ কিছু ফুলকপি,বৃহৎ আকারের মুলো,হলুদ বাঁধাকপিসহ একাধিক কৃষিজ দ্রব্য।তার সাথে সাথে রয়েছে বিভিন্ন রং বেরংঙের ফুল।পাশাপাশি প্রদর্শিত হচ্ছে হস্তশিল্প।এছাড়াও,এই কৃষি মেলাকে কেন্দ্র করে চারদিন ব্যাপী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলার আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছেন মেলার সম্পাদক সজল ধাড়া।নেতাজী প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও জলাদেওড়া থেকে অনুষ্ঠান স্থলপর্যন্ত অনুষ্ঠিত পথদৌড় প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে এবছর অনুষ্ঠানের সূচনা ঘটে।রয়েছে সঙ্গীত,নৃত্য,নাটক,আলোচনাসভা,লেটো ভাঁড়যাত্রার মতো বিভিন্ন অনুষ্ঠান।স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্তা তাপস পালের কথায়,গ্রাম বাংলার কৃষি,পরিবেশ ও সংস্কৃতিকে এক সূত্রে বাঁধতে এই মেলা অনন্য ভূমিকা গ্রহণ করে আসছে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে।

Comments

Popular posts from this blog

সবুজ সচেতনতায় অভিনব পদক্ষেপ শ্যামপুরের স্কুলে,পড়ুয়াদের হাতে তুলে দেওয়া হল বিশেষ পেন

নিজস্ব প্রতিনিধি: দূষণের ফলে একদিকে যেমন  গলছে বরফ,বাড়ছে তাপমাত্র,তেমনই রাজধানী দিল্লি ঢেকে যাচ্ছে কুয়াশায়।এই দানবীয় শক্তির মূলে কুঠারাঘাত হানতে না পারলে অনতিদূরেই অপেক্ষা করছে ঘোরতর বিপদ।আর এই দানবীয় শক্তিকে রোধ করতে প্রয়োজন সবুজের।সবুজ রোপণ ও তার সঠিক পরিচর্যার।আর সেই বার্তাই নব প্রজন্মের মধ্যে সঞ্চারিত করতে অভিনব উদ্যোগ নিল শ্যামপুর-২ ব্লকের নাওদা নয়নচন্দ্র বিদ্যাপীঠ।বিদ্যালয় কর্ত্তৃপক্ষের তরফে প্রায় ৩০০ পড়ুয়ার হাতে তুলে দেওয়া হল বিশেষ ধরনের পেন যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গাছের বীজ।পেন ব্যবহারের পর তা ফেলে দিলে সেই বীজ মাটিতে পরে গাছ সৃষ্টি হবে বলে জানান বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুচন্দ্রিমা সেনগুপ্ত। তিনি আরও জানান,পেনগুলি তৈরি করেছে শ্যামপুরের 'আলোর দিশা' নামক একটি সংস্থা।বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ছাত্রছাত্রীদের হাতে পেন তুলে দেন স্থানীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক অমিত দাস।এর পাশাপাশি খুব শীঘ্রই স্থানীয় বাজারে কাগজের ঠোঙায় বীজ দিয়ে তা পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও বিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে।শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত এই অভিনব পদক্ষেপ...

আমতা-রাণীহাটি রোডে দুর্ঘটনা,মৃত ১,আহত বহু

নিজস্ব প্রতিনিধি: হাওড়া জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমতা-রাণীহাটি রোড।এই ব্যস্ত রোডের ছোটোপুলের কাছে আজ দুপুর ১২ টা নাগাদ আমতা-এয়ারপোর্ট রুটের একটি বাসের সাথে মারুতির দুর্ঘটনা ঘটে।সূত্রের খবর,আজ সকালে যাত্রীবোঝাই বাসটির সাথে মারুতি গাড়িটির সংঘর্ষের ফলে বাস ও মারুতি উভয়ই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের নয়ানজুলিতে উল্টে যায়। জানা গেছে,এখনো পর্যন্ত মৃত ১ জন ও আহতের সংখ্যা ১৯।জানা গেছে,মৃতের নাম শিশু মালিক। দুর্ঘটনায় খবর পেয়েই উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় মানুষ।ক্রেনের সাহায্যে গাড়িগুলোকে খাদ থেকে তোলার কাজ চলছে।

ছোট্ট রিয়ান্সির জন্মদিনে বাজার বদলের ভাবনায় উদ্যোগী 'স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ'

নিজস্ব প্রতিনিধি: অর্ঘ্য,রহমত,সুচিত্রা,শ্যামলরা অন্য পাঁচটা দিনের মতো রবিবারের সকালেও পলিথিন হাতে বাজারে হাজির হলেও আজ আর পলিথিন নয়,কাপড়ের ব্যাগে সব্জি নিয়ে বাড়ি ফিরলেন।সকাল সকাল আমতা-১ ব্লকের উদং তরুণ সংঘের মাঠে বসা বাজারে উপস্থিত হয়ে বাবা-মা'র হাত ধরে বড়োদের হাতে তুলে দিল ছোট্ট রিয়ান্সি।রিয়ান্সিকে নিয়ে তিন বছরের জন্মদিনের সকালটা এভাবেই কাটালেন তার বাবা-মা।মানুষের মধ্যে পৌঁছে দিলেন পরিবেশ সচেতনতা ও প্লাস্টিকের পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব সামগ্রী ব্যবহারের শুভবার্তা।রিয়ান্সির জন্মদিনকে একটু অন্যভাবে পালন করতে এগিয়ে এসেছে গ্রামীণ হাওড়ার অন্যতম সমাজসেবামূলক সংগঠন 'স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ'।মূলত,এই সংস্থার ভাবনায় ও ব্যবস্থাপনায় এই আয়োজন বলে জানান রিয়ান্সির বাবা পেশায় শিক্ষক রাকেশ মন্ডল।রাকেশ বাবু জানান,প্রায় ৫০০ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবেশবান্ধব এই ব্যাগ।রবিবারের সকাল মানেই উদংয়ের এই বাজারে বহু মানুষের ভিড়।ঘড়ির কাঁটায় ৭ টা বাজার সাথে সাথেই রিয়ান্সি বাবা-মা,'স্বপ্ন দেখার উজান গাঙ'-এর সদস্যদের সাথে উপস্থিত হয়ে যায় বাজারে।বেশ কয়েকটি ব্যাগ নিজে হাতে তুলে দেওয়ার পর ও...